তিন তালাক প্রথা ‘অসাংবিধানিক’ বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট | Bangla news
তিন তালাক প্রথা ‘অসাংবিধানিক’ বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট | Bangla news
ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের রায়ে তিন তালাক প্রথা ‘অসাংবিধানিক’ বলে ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এই তিন তালাক প্রথা ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত নয় বলেও জানিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পাঁচ সদস্যের ওই সাংবিধানিক বেঞ্চের দুই সদস্য আপাতত তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিলেও অন্য তিন বিচারক এই প্রথাকে সরাসরি অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। তারা একে অ-ইসলামিক বলেও ঘোষণা করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের রায়ই আদালতের রায় বলে গণ্য করা হবে।সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে দেওয়া রায় ঘোষণাকালে প্রধান বিচারপতি জে এস খেহর বলেন, ‘এটা খুবই সংবেদনশীল মামলা, যেখানে অনুভূতির যোগ আছে। আমরা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে উপযুক্ত আইন তৈরির বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছি।’
তিন তালাককে ‘বাজে বিধান’ আখ্যা দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেন, ‘আমরা আশা করি, আইন তৈরির সময় পার্লামেন্ট মুসলিম পারিবারিক আইনের বিষয়টি বিবেচনায় নেবে। সব পক্ষকে রাজনীতিমুক্ত হয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
রায়ের সময় কিছু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে তিন তালাক প্রথা চর্চা হয় না উল্লেখ করে আদালত বলেন, ‘স্বাধীন ভারত কেন এই প্রথা থেকে মুক্ত হতে পারবে না?’
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, তিন তালাক বৈধ। তবে স্কাইপ ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তালাক পেয়ে কয়েকজন নারী এক হাজার ৪০০ বছর ধরে চলা এই প্রথাকে চ্যালেঞ্জ করেন।
মঙ্গলবার বিভিন্ন ধর্মের পাঁচ বিচারক তালাকের বিষয়ে রায় দেন। তাঁরা হলেন প্রধান বিচারপতি খেহর, বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ, বিচারপতি রোহিন্তন ফালি নরিমান, বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত ও বিচারপতি এস আবদুল নাজির। তাঁদের বেঞ্চে গত ১২ থেকে ১৮ মে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আজ চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়।
ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের রায়ে তিন তালাক প্রথা ‘অসাংবিধানিক’ বলে ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এই তিন তালাক প্রথা ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত নয় বলেও জানিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পাঁচ সদস্যের ওই সাংবিধানিক বেঞ্চের দুই সদস্য আপাতত তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিলেও অন্য তিন বিচারক এই প্রথাকে সরাসরি অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। তারা একে অ-ইসলামিক বলেও ঘোষণা করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের রায়ই আদালতের রায় বলে গণ্য করা হবে।সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে দেওয়া রায় ঘোষণাকালে প্রধান বিচারপতি জে এস খেহর বলেন, ‘এটা খুবই সংবেদনশীল মামলা, যেখানে অনুভূতির যোগ আছে। আমরা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে উপযুক্ত আইন তৈরির বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছি।’
তিন তালাককে ‘বাজে বিধান’ আখ্যা দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেন, ‘আমরা আশা করি, আইন তৈরির সময় পার্লামেন্ট মুসলিম পারিবারিক আইনের বিষয়টি বিবেচনায় নেবে। সব পক্ষকে রাজনীতিমুক্ত হয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
রায়ের সময় কিছু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে তিন তালাক প্রথা চর্চা হয় না উল্লেখ করে আদালত বলেন, ‘স্বাধীন ভারত কেন এই প্রথা থেকে মুক্ত হতে পারবে না?’
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, তিন তালাক বৈধ। তবে স্কাইপ ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তালাক পেয়ে কয়েকজন নারী এক হাজার ৪০০ বছর ধরে চলা এই প্রথাকে চ্যালেঞ্জ করেন।
মঙ্গলবার বিভিন্ন ধর্মের পাঁচ বিচারক তালাকের বিষয়ে রায় দেন। তাঁরা হলেন প্রধান বিচারপতি খেহর, বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ, বিচারপতি রোহিন্তন ফালি নরিমান, বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত ও বিচারপতি এস আবদুল নাজির। তাঁদের বেঞ্চে গত ১২ থেকে ১৮ মে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আজ চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়।
No comments