Header Ads

জীবিত শিশু মেয়ের জন্যই কবর খুড়লেন অসহায় বাবা, চোখের পানি আটকাতে পারবেন না | Bangla News

জীবিত শিশু মেয়ের জন্যই কবর খুড়লেন অসহায় বাবা, চোখের পানি আটকাতে পারবেন না | Bangla News

নিজের সন্তানের জন্য করব খোড়া সব বাবা মায়ের কাছেই সবচেয়ে কস্টকর। কিন্তু এই কষ্টকর কাজটিই করতে হল চীনের একজন অসহায় বাবাকে। তাও আবার তার জীবিত শিশু কন্যার জন্য।




আমার চ্যানেল এর নতুন ভিডিও গুলো পাওয়ার জন্য Subscribe করুন এবং Subscribe এর পাশে যে গেয়ার আইকোন আছে সেটাতে ওকে করে রাখুন তাহলে নতুন নতুন ভিডিও এর আপডেট পেয়ে যাবেন

https://www.youtube.com/channel/UCgJ7JHMvC7T7LEhSUZHcfzQ

জ্যাং লাইওং এর দুই বছর বয়সী মেয়ে জন্মগতভাবেই রক্তের ভয়াবহ এক সমস্যায় ভুগছে। জ্যাং তার সাধ্যমতো সকল ধরণের চেষ্টা করেছেন মেয়েকে সুস্থ করে তোলার জন্য। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই তাকে ব্যর্থ হতে হয়েছে। আর কোন উপায় না পেয়ে জ্যাং শেষ পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন, মেয়েকে তার কবরের সাথে পরিচিত করার উপায়!
জ্যাং একজন কৃষক। তার সকল সঞ্চালিত অর্থই খরচ করেছেন মেয়ের চিকিৎসার জন্য। মাত্র দুই মাস বয়সেই জ্যাং জিনলেই এর ‘কঞ্জেনিটাল থ্যালাসেমিয়াস’ নামক রোগ ধরা পরে। ‘দ্যা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর রেয়ার ডিসঅর্ডারস’ জিনলেইন এর এই অসুখকে নির্নয় করেছে, উত্তরাধীকার সূত্র পাওয়া রক্তের এক ধরণের ব্যাধি যা রক্তের হিমোগ্লোবিনের কার্যক্ষমতা ক্রমশ কমিয়ে দেয়।
জিনলেইনের অসুখ ধরা পড়ার পর জ্যাং সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন সুস্থ করে তোলার জন্য। সেজন্য নিজের জমানো সব অর্থই খরচ করেছেন চিকিৎসার জন্য। ইতিমধ্যে প্রায় বাংলাদেশি টাকায় ১২ লাখ টাকা খরচ করেছেন তিনি।
তবে লাভ হয়নি জ্যাংয়ের। শেষ পর্যন্ত আর চিকিৎসার খরচ চালাতে পারেনি অসহায় এই বাবা। ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছে জিনলেই এর হাতে আর খুব বেশি সময় নেই।এত চেষ্টার পর যখন জানলেন মেয়ে বাচবে না তখন অনিবার্য নিয়তিকেই মেনে নিযে দুনিয়ার সবচেয়ে কষ্টকর কাজটিই করলেন জ্যাং । মেয়ের জন্য নিজেই খোড়লেন কবর।
তিনি জানান, তার মেয়েকে নিয়ে তিনি এখানে প্রতিদিন খেলা করেন, এই কবরেই সময় কাটান। কারন এখানেই তো তার মেয়েকে অনন্ত কাল থাকতে হবে। তার মেয়ে যেন পরে এখানে ভয় না পায় সেজন্য কবরের সাথে পরিচয় করে দিচ্ছেন মেয়েকে।
ছোট্ট জিনলেই এসব জানেইনা। সে বাবার সাথেই কবরে খেলা করে, বাবার উপরেই কবরে শুয়ে থাকে। অথচ একটা সময় এখানে বাবাকে ছাড়াই থাকতে হবে এই তাকে। হৃদয় বিধারক এই ঘটনাটি সামনে আসার পর অনেক মানুষই এখন জিনলেইকে চিকিৎসার জন্য সাহায্য করছে।

No comments

Powered by Blogger.